বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার জাতীয় সংসদে এনসিপি দলীয় সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের এই বড় অঙ্ক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ঋণ খেলাপির তালিকায় শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এস. আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (বেক্সিমকো), কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড, দেশবন্ধু সুগার মিলস লিমিটেডসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড, কর্ণফুলী ফুডস (প্রা.) লিমিটেড এবং রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেডও এই তালিকায় রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং এ সমস্যা সমাধানে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।